অনলাইনে ট্যাক্স দিন, সময় এবং পরিবেশ বাঁচান!

অনলাইনে ট্যাক্স প্রদান একটি সহজ, নিরাপদ, সুবিধাজনক এবং পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি যা আপনার সময়, অর্থ, এবং কাগজপত্র ব্যবহারের ঝামেলা কমায়। আর অনলাইন এর মাধ্যমে আপনি ২৪/৭ যে কোন সময় যে কোন স্থান থেকে সহজেই ট্যাক্স প্রদান করতে পারবেন।

Taxes Zone 15 Dhaka
E-tin registration

ই-টিআইএন রেজিস্ট্রেশন

E-return submission

ই-রিটার্ন সাবমিশন

ই-টিডিএস সিস্টেম

ই-পেমেন্ট পোর্টাল

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

মাননীয় উপদেষ্টা
অর্থ মন্ত্রণালয়

মো: আব্দুর রহমান খান, এফসিএমএ

সচিব অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়

চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

মোঃ জাকির হোসেন

কর কমিশনার
কর অঞ্চল ১৫, ঢাকা

নোটিশ বোর্ড

প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ

কর্মসম্পাদনা ব্যবস্থাপনা

আইন ও বিধি

সিটিজেন চার্টার

জরুরি কিছু জিজ্ঞাসা

ই-টিন কি?

ই-টিআইএন (eTIN): ই-টিআইএন মানে ইলেক্ট্রনিক ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার, ইহা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করণ। ইহা ১২ ডিজিটের একটি নম্বর। একজন করদাতাকে সহজে, ঘরে বসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন কাদের জন্য প্রযোজ্য?

সমস্ত নিবন্ধিত ব্যক্তি, কোম্পানি, ব্যক্তিসংঘ, ফার্ম নির্বিশেষে যাদের TIN আছে সকলেই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে বাধ্য। ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (TIN) থাকলে আয় যতই কম হোক না কেন, রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

কিভাবে ই-টিনের জন্য আবেদন করবেন?

বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (e-TIN) পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করার পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ এবং ডিজিটালাইজড। প্রথমে আপনাকে e-TIN রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল (https://etin.gov.bd) এ প্রবেশ করতে হবে এবং “Register as a New User” অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যেমন নাম, পিতার নাম, জন্ম তারিখ, মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্ট নম্বর প্রদান করতে হবে।

পরবর্তী ধাপে আপনাকে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, পেশা (চাকুরিজীবী, ব্যবসায়ী, স্বাধীন পেশাজীবী ইত্যাদি) এবং TIN ক্যাটাগরি (ব্যক্তিগত, কোম্পানি বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান) নির্বাচন করতে হবে। এরপর আপনাকে NID বা পাসপোর্টের স্ক্যান কপি (সর্বোচ্চ 300 KB সাইজের JPEG/PDF ফরম্যাটে) এবং পাসপোর্ট সাইজের ছবি আপলোড করতে হবে। একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করার পর আপনার মোবাইল নম্বরে পাঠানো OTP কোড দিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনি একটি অ্যাপ্লিকেশন আইডি পাবেন যা দিয়ে আপনি আবেদনের অবস্থা ট্র্যাক করতে পারবেন। সাধারণত ৩ থেকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে আপনার আবেদন অনুমোদিত হবে এবং SMS বা ইমেইলের মাধ্যমে নোটিফিকেশন পাবেন। লগইন করে “Download TIN Certificate” অপশন থেকে আপনি আপনার TIN সার্টিফিকেট ডাউনলোড করতে পারবেন।

উল্লেখ্য যে e-TIN রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা যায় এবং কোন প্রকার পেমেন্টের প্রয়োজন হয় না। যদি কোন সমস্যা হয় তবে আপনি 16121 নম্বরে NBR কল সেন্টারে বা সরাসরি সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংকসহ অনুমোদিত ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার TIN নম্বর ভেরিফাই করতে https://etin.gov.bd/TINCheck ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন। মনে রাখবেন, NID বা পাসপোর্ট ছাড়া আবেদন করা সম্ভব নয় এবং ভুল তথ্য প্রদান করলে জরিমানা বা শাস্তি হতে পারে। তাই আবেদনের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং TIN সার্টিফিকেটটি প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করুন, কারণ ভবিষ্যতে ব্যাংকিং লেনদেন, জমি রেজিস্ট্রেশন বা ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এটি প্রয়োজন হবে।

জিরো ট্যাক্স রিটার্ন কি?

জিরো ট্যাক্স রিটার্ন হলো একটি আয়কর রিটার্ন দাখিলের পদ্ধতি যেখানে করদাতার কোনো ট্যাক্সযোগ্য আয় না থাকলেও তাকে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়। বাংলাদেশে যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের টিআইএন (TIN) আছে কিন্তু নির্দিষ্ট অর্থবছরে তাদের কোনো আয় হয়নি বা আয় করমুক্ত সীমার মধ্যে ছিল, তারা জিরো ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেন। এটি মূলত কর কর্তৃপক্ষকে জানানোর একটি মাধ্যম যে করদাতার সেই বছর কোনো আয় ছিল না বা তিনি ট্যাক্স দিতে বাধ্য নন।

বাংলাদেশ এ ইনকাম ট্যাক্স রেট কত?

বাংলাদেশে আয়করের হার ব্যক্তিবিশেষের আয়ের পরিমাণ এবং আয়ের উৎসের উপর ভিত্তি করে ভিন্ন হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তিগত আয়করের হার নিম্নরূপ: প্রথম ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত (সাধারণ করদাতাদের জন্য)। এরপর ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ৫%, পরবর্তী ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১০%, পরবর্তী ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১৫%, পরবর্তী ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ২০%, অবশিষ্ট মোট আয়ের উপর ২৫% হারে কর ধার্য হয়। নারী ও ৬৫ বছর বয়স্ক করদাতাদের জন্য প্রথম ৪ লক্ষ টাকা করমুক্ত, আর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য এই সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

কোম্পানিগুলোর জন্য সাধারণ করের হার ২০% থেকে ৩০% পর্যন্ত, তবে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এটি ৪০% হতে পারে। এছাড়াও কিছু বিশেষ খাত যেমন মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্য ৪৫% হারে কর প্রযোজ্য। মূল্য সংযোজন কর (VAT) সাধারণত ১৫% হারে গণনা করা হয়, তবে কিছু পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে এটি কম বা বেশি হতে পারে। করদাতাদের জন্য ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ সাধারণত ৩০ সেপ্টেম্বর। তবে করের হার ও নিয়মাবলী পরিবর্তন হতে পারে, তাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা একজন কর বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ট্যাক্স প্রদান সহায়িকা

ট্যাক্স প্রদান ভিডিও টিউটোরিয়াল

যোগাযোগ

02-49338055

taxeszone15dhaka@gmail.com

Ridge Ahmed Square (7th Floor),
50/1 VIP Road, Naya Poltan
Dhaka-1000

Scroll to Top